কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী সর্বশেষ আপডেটসহ সম্পূর্ণ গাইড

কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে এই বিস্তারিত গাইডটি আপনাকে নির্ভুল ও হালনাগাদ তথ্য দেবে।
কক্সবাজার-এক্সপ্রেস-ট্রেনের-সময়সূচী
এখানে কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী সহ টিকিট মূল্য, বুকিং পদ্ধতি, যাত্রার সুবিধা, স্টেশন তথ্য, ভ্রমণ পরিকল্পনা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

পেজ সুচিপত্রঃ কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী সর্বশেষ আপডেটসহ সম্পূর্ণ গাইড

কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী

কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী জানা যাত্রীদের ভ্রমণ পরিকল্পনাকে সহজ করে। ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটটি এখন দেশের অন্যতম ব্যস্ত রুট হওয়ায় সময় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকলে অনেক যাত্রী অযথা ঝামেলায় পড়েন। বিশেষ করে পর্যটন মৌসুমে এই রুটে যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, ফলে সময়মতো টিকিট বুকিং এবং যাত্রা শুরু করতে নির্ভুল তথ্য জানা খুব জরুরি। কক্সবাজার এক্সপ্রেস একটি আধুনিক আন্তঃনগর ট্রেন, যা সময়নিষ্ঠ সেবা এবং আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য যাত্রীদের কাছে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
কক্সবাজার-এক্সপ্রেস-ট্রেনের-সময়সূচী
এই ট্রেনে আরামদায়ক সিট, পরিষ্কার কোচ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং খাবারের সুবিধা থাকায় দীর্ঘ ভ্রমণও তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক হয়। অনেক যাত্রী রাতের ট্রেনে ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন, কারণ এতে দিনের সময় নষ্ট হয় না এবং সকালে গন্তব্যে পৌঁছে দিনের কাজ শুরু করা যায়। ঢাকা থেকে কক্সবাজার এবং কক্সবাজার থেকে ঢাকার উভয় দিকেই এই ট্রেন নির্দিষ্ট সময়ে ছাড়ে, ফলে যাত্রীরা সহজেই নিজেদের সুবিধামতো প্ল্যান সাজাতে পারেন।
২০২৫ সালের কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে ভ্রমণকারীরা কম ঝামেলায় যাত্রা করতে পারেন। সময় জেনে আগে থেকেই রওনা হওয়া, স্টেশনে পৌঁছানো এবং সিটে বসা সবকিছুই আরও স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হয়। কক্সবাজার বা ঢাকায় যে দিকেই যাত্রা হোক না কেন, সময় জানা থাকলে ভ্রমণ অনেক বেশি সুবিধাজনক হয়।

কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী ২০২৫

কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী ২০২৫ আপডেট অনুযায়ী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে প্রতিদিন রাতে নির্দিষ্ট সময়ে ছাড়ে এবং কক্সবাজার থেকে ফেরার সময়ও যাত্রীদের সুবিধা অনুযায়ী নির্ধারিত হয়েছে। আপ ট্রেন ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে, আর ডাউন ট্রেন কক্সবাজার থেকে ঢাকার দিকে চলে। সময়সূচী জানলে যাত্রীরা নির্ভুল পরিকল্পনা করতে পারেন, কারণ এই ট্রেন সাধারণত নির্ধারিত সময়েই স্টেশন ত্যাগ করে।
স্টেশনের নাম সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়ার সময় গন্তব্যে পৌঁছানোর সময়
কক্সবাজার টু ঢাকা মঙ্গলবার দুপুর ১২.৩০ মিনিট রাত ০৯.১০ মিনিট
ঢাকা টু কক্সবাজার মঙ্গলবার রাত ১০.৩০ মিনিট সকাল ০৭.২০ মিনিট
ঋতুভেদে, বিশেষ ছুটিতে বা রেলওয়ে ঘোষণায় সময়সূচীতে কিছু পরিবর্তন হতে পারে, তাই সর্বশেষ তথ্য জানা জরুরি। ট্রেনটি পথে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে বিরতি দেয়, ফলে যাত্রীরা প্রয়োজনে সেই স্টেশনগুলো থেকেও উঠতে বা নামতে পারেন। সময় মেনে চলার ক্ষেত্রে কক্সবাজার এক্সপ্রেস বেশ নির্ভরযোগ্য, যা দীর্ঘ ভ্রমণে যাত্রীদের আস্থা বাড়ায় এবং ভ্রমণকে করে আরামদায়ক।

কক্সবাজার থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী

কক্সবাজার থেকে ঢাকা পর্যন্ত দুইটি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে থাকে, মূলত এই ট্রেন দুইটি কক্সবাজার ভ্রমন পিপাসু পর্যটকদের জন্য চালু করা হয়। নিচে কক্সবাজার থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী টেবিলের মাধ্যমে দেওয়া হল।

কক্সবাজার এক্সপ্রেস (৮১৩) 

বিষয় তথ্য
যাত্রা শুরুর সময় দুপুর ১২:৩০ টায় কক্সবাজার স্টেশন থেকে ছাড়ে
গন্তব্যে পৌঁছানোর সময় রাত ৯:১০ টায় কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছায়
যাত্রা বিরতি স্টেশন চট্টগ্রাম স্টেশন, বিমানবন্দর স্টেশন
সাপ্তাহিক ছুটি মঙ্গলবার

পর্যটক এক্সপ্রেস (৮১৫)

বিষয় তথ্য
যাত্রা শুরুর সময় রাত ৮:০০ টায় কক্সবাজার স্টেশন থেকে ছাড়ে
গন্তব্যে পৌঁছানোর সময় ভোর ৪:৩০ টায় কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছায়
যাত্রা বিরতি স্টেশন চট্টগ্রাম, বিমানবন্দর
সাপ্তাহিক ছুটি রবিবার

কক্সবাজার ট্রেন স্টেশন এক নজরে 

কক্সবাজার ট্রেন স্টেশন আমাদের বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত ঝিলংজা ইউনিয়নের চান্দের পাড়ায় অবস্থিত। এটি একটি ছয়তলা বিশিষ্ট রেলওয়ে স্টেশন। কক্সবাজার ট্রেন স্টেশন বাংলাদেশের প্রথম আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন। এটি দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথের শেষ স্টেশন। এই স্টেশনটি একটি ঝিনুক আকৃতির, যার মোট আয়তন ১ লাখ ৮৭ হাজার বর্গফুট।

ট্রেন স্টেশনটিতে ৬টি প্ল্যাটফর্ম, টিকিট কাউন্টার, রেস্তোরাঁ, হোটেল, শপিংমল, শিশুযত্ন কেন্দ্র, লকার, ডাকঘর, কনভেনশন সেন্টার, তথ্যকেন্দ্র, এটিএম বুথ এবং প্রার্থনার স্থান রয়েছে। ২০১৮ সালের জুলাই মাসে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের অধীনে স্টেশনটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনটি উদ্বোধন করা হয়।

কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট মূল্য ও শ্রেণিভিত্তিক ভাড়া

কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট মূল্য যাত্রীদের শ্রেণিভেদে ভিন্ন হয়ে থাকে, যাতে বিভিন্ন বাজেটের যাত্রীরা তাঁদের পছন্দ অনুযায়ী সিট বুক করতে পারেন। সাধারণত চেয়ার কোচ, স্নিগ্ধা, এসি সিট এবং এসি কেবিনসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরি পাওয়া যায়। প্রতিটি শ্রেণিতে সিটের আরাম, সুবিধা ও ভাড়ার পার্থক্য থাকে, ফলে যাত্রীরা নিজেদের উপলব্ধি ও প্রয়োজন অনুযায়ী সিট নির্বাচন করতে পারেন। শ্রেণিভিত্তিক কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট মূল্য টেবিলের মাধ্যমে দেওয়া হল। 
শ্রেণী ভাড়া (টাকা)
শোভন চেয়ার ৬৯৫ টাকা
এসি স্নিগ্ধা ১৩২৫ টাকা
এসি শোভন ১৫৯০ টাকা
এসি বার্থ ২৩৮০ টাকা
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ  অনলাইনে টিকিট কাটার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য।

কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট বুকিং পদ্ধতি

কক্সবাজার ট্রেনের টিকিট কেনার প্রক্রিয়া এখন ডিজিটাল হওয়ায় যাত্রীরা খুব সহজেই অনলাইনে টিকিট বুক করতে পারেন। বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল সাইট বা মোবাইল অ্যাপে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করা হয়, এরপর পছন্দের ট্রেন নির্বাচন, ভ্রমণের তারিখ নির্ধারণ এবং সিট বেছে নেওয়ার মাধ্যমে টিকিট বুক করা যায়।

পেমেন্টের জন্য মোবাইল ব্যাংকিং, ব্যাংক কার্ড বা অন্যান্য ডিজিটাল অপশন ব্যবহার করা যায়। যারা অনলাইন সিস্টেম ব্যবহার করতে চান না তারা স্টেশন কাউন্টার থেকেও টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন, তবে সেক্ষেত্রে ভিড় এবং অপেক্ষা বেশি হয়। অনলাইনে টিকিট নেওয়ার সুবিধা হলো সময় সাশ্রয় এবং ঘরে বসেই কনফার্মেশন পাওয়া।

অনলাইনে কক্সবাজার ট্রেনের টিকেট কাটার নিয়ম 

অনলাইনে কক্সবাজার ট্রেনের টিকেট কাটার নিয়ম ধাপে ধাপে বর্ণনা করা হলঃ 
  • কক্সবাজার থেকে ঢাকা বা ঢাকা থেকে কক্সবাজার ট্রেনের টিকিট অনলাইনে বুকিং করতে https://eticket.railway.gov.bd/ এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। 
  • এরপর আপনার ফোন নাম্বার, ইমেইল আইডি, NID কার্ড ও পাসওয়ার্ড দিয়ে একটি একাউন্ট তৈরি করতে হবে। একাউন্ট সঠিকভাবে তৈরি করা সম্পূর্ণ হলে আপনার ফোন নাম্বার ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।
  • এরপরে,ঢাকা থেকে কক্সবাজার ভ্রমনের জন্য ঢাকা এবং কক্সবাজার অথবা কক্সবাজার থেকে ঢাকা ভ্রমনের জন্য কক্সবাজার এবং ঢাকা  নির্বাচন করতে হবে। এবার তারিখ ও আসন সংখ্যা নির্বাচন করুন। এরপরে কোন ট্রেনে যাত্রা করবেন সেই ট্রেন সার্চ করে ট্রেনটি নির্বাচন করুন।
  • এবার টিকিটের মূল্য পরিশোধ করতে বিকাশ, নগদ, রকেট এবং ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের অপশন আসবে সেখান থেকে যেকোন একটা সিলেক্ট করুন । এরপরে Proceed To Payment লেখায় ক্লিক করবেন।
  • টিকিটের মূল্য পরিশোধ করার পরে আপনার রেজিস্ট্রেশন করা জিমেইল ঠিকানায় টিকিটের অনলাইন কপি পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সেখান থেকে টিকিটের  অনলাইন কপিটি সংগ্রহ করুন। 

এই পাঁচটি ধাপ অনুসরণ করে আপনি খুব সহজে অনলাইনে ঢাকা থেকে কক্সবাজার ট্রেনের টিকিট ক্রয় করতে পারবেন। 

কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ স্টেশন ও বিরতি সময়

কক্সবাজার এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাওয়ার পথে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে থামে, যাতে বিভিন্ন জেলার যাত্রীরা ট্রেনে উঠতে বা নামতে পারেন। সাধারণত কমলাপুর থেকে ছাড়ার পর এয়ারপোর্ট, চট্টগ্রাম, ডোহাজারী স্টেশনে থামানো হয়, তবে স্টপেজ সংখ্যা সময়সূচীর ওপর ভিত্তি করে সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে।
কক্সবাজার-এক্সপ্রেস-ট্রেনের-সময়সূচী
প্রতিটি স্টেশনে নির্দিষ্ট সময়ের বিরতি দেয়া হয়, যাতে যাত্রীরা প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নিতে পারেন এবং নতুন যাত্রীরাও উঠতে পারেন। বিরতির সময় সাধারণত কম হয়, তাই যাত্রীদের স্টেশন থেকে বেশি দূরে না যাওয়াই ভালো। স্টপেজ স্টেশন ও বিরতি সময় জানা থাকলে যাত্রীরা তাঁদের ভ্রমণ প্রস্তুতি আরও ভালোভাবে নিতে পারেন। প্রতিটি স্টেশনেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা, তথ্যসেবা এবং যাত্রী সহায়তা পাওয়া যায়, যা ভ্রমণকে আরও নির্ভরযোগ্য করে।

কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ স্টেশন ও বিরতি সময় টেবিলের মাধ্যমে দেওয়া হলঃ 
বিরতি স্টেশনের নাম কক্সবাজার থেকে ঢাকা থেকে
চট্টগ্রাম স্টেশন ১৫.৪০ মিনিট ৩.৪০ মিনিট
বিমানবন্দর স্টেশন ২২.৫৩ মিনিট ---

কক্সবাজার ট্রেনের রুট ম্যাপ

কক্সবাজার এক্সপ্রেসের রুট ম্যাপ যাত্রীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে পুরো ভ্রমণ পথ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়। ট্রেনটি ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজারে পৌঁছায় এবং পথে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন অতিক্রম করে।  ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সকল রেলওয়ে স্টেশনের নাম গুলো দেওয়া হল। 
  • ঢাকা ০০
  • তেজগাঁও ৬.৪৪
  • বনানী ১০.৮৬
  • ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ১৩.২৭
  • ঢাকা বিমানবন্দর ১৮.২৮
  • টঙ্গী জংশন ২২.৯৩
  • পুবাইল ৩১.৯৯
  • নলছাটা বিলুপ্ত
  • আড়িখোলা ৩৯.৬৩
  • ঘোড়াশাল ফ্লাগ ৪৬.৮৭
  • ঘোড়াশাল ৪৮.০৮
  • জিনারদী ৫২.৫১
  • নরসিংদী ৫৭.৩৪
  • আমিরগঞ্জ ৬২.৫৭
  • খানাবাড়ী ৬৫.৭৯
  • হাঁটুভাঙা ৭০.২২
  • মেথিকান্দা ৭৩.৮৪
  • শ্রীনিধি ৭৭.৮৬
  • দৌলতকান্দি ৮৩.০৯
  • ভৈরব বাজার জংশন ৮৭.১১
  • আশুগঞ্জ ৯০.৩১
  • তালশহর ৯৪.৭৩
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১০৩.৯৯
  • পাঘাচং ১১০.৮৩
  • ভাতশালা ১১৪.৮৫
  • আখাউড়া জংশন ১২০.০৮
  • গঙ্গাসাগর ১২৪.৫০
  • ইমামবাড়ী ১৩০.৫৪
  • কসবা ১৩৫.৩৭
  • মন্দাবাগ ১৪১.৮১
  • সালদানদী ১৪৩.৮২
  • শশীদল ১৪৭.৪৫
  • রাজাপুর ১৫৩.৮৯
  • সদর রসুলপুর ১৬১.১৩
  • কুমিল্লা ১৬৭.৫৭
  • ময়নামতি ১৭১.১৯
  • লালমাই ১৭৯.৬৫
  • আলিশ্বর ১৮৫.২৪
  • লাকসাম জংশন ১৯১.১৯
  • নাওটি ১৯৮.৮৪
  • লাঙ্গল কোট ২০৪.৪৭
  • হাসানপুর ২০৯.৭০
  • গুনবতি ২১৭.৭৫
  • শর্শদী ২২২.৯৯
  • ফেনি জংশন ২৩১.৪৪
  • কালিদহ ২৩৬.২৭
  • ফাজিলপুর ২৪১.৯০
  • মুহুরীগঞ্জ ২৪৫.৫৩
  • চিন কি আস্তানা ২৫১.৯৭
  • মাস্তান নগর ২৫৭.২০
  • মীরের সরাই ২৬২.৮৩
  • বারতাকিয়া ২৬৮.০৭
  • নিজামপুর কলেজ ২৭৩.৩০
  • বাবৈয়া ঢালা ২৭৭.৩২
  • সীতাকুণ্ড ২৮৩.৭৬
  • বাড়বকুণ্ড ২৮৯.০০
  • কুমিরা ২৯৭.৮৫
  • ভাটিয়ারী ৩০৭.১১
  • ফৌজদার হাট ৩০৯.৫২
  • কৈবলাধাম ৩১৪.৭৭
  • পাহাড়তলী ৩১৬.৭৮
  • চট্টগ্রাম কেবিন ৩১৯.১৯
  • চট্টগ্রাম ৩২০.৭৯
  • ঝাউতলা ৩২৪.১
  • চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ৩২৫.৬৪
  • ষোলশহর জংশন ৩২৬.৯৫
  • জান আলীর হাট ৩৩৩.২৫
  • গোমদন্ডি ৩৩৮.৩৩
  • বেঙ্গুড়া ৩৪২.৫৩
  • ধলঘাট ৩৪৬.১৫
  • খান মোহনা ৩৪৮.৯৬
  • পটিয়া ৩৫১.৩৭
  • চক্রশালা ৩৫৪.১৮
  • খরনা ৩৫৫.৭৯
  • কাঞ্চন নগর ৩৫৯.১
  • খানহাট ৩৬১.০২
  • হাসিমপুর ৩৬৪.২৪
  • দোহাজারী ৩৬৭.৮৬
  • সাতকানিয়া ৩৭৬.৬২১
  • লোহাগড়া ৩৮৯.৪৬০
  • হারবং ৪০৫.৩৬০
  • চকোরিয়া ৪১৬.৯২৫
  • ডুলহাজারা ৪২৭.৫৮৬
  • ইসলামাবাদ ৪৪০.৪৪১
  • রামু ৪৫৭.১০১
  • কক্সবাজার ৪৬৯.৪৩০
এই রুটটি পর্যটকদের জন্য বিশেষভাবে সুবিধাজনক, কারণ এটি দেশের অন্যতম ব্যস্ত এবং জনপ্রিয় ট্রাভেল রুট। রুট ম্যাপ দেখে যাত্রীরা স্টপেজ নির্বাচন, যাত্রার সময় এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি আরও সহজে ঠিক করতে পারেন। রুটটি সার্বিকভাবে নিরাপদ, আরামদায়ক এবং পর্যটনবান্ধব, যা ভ্রমণকে আরও উপভোগ্য করে।

কক্সবাজার ট্রেন যাত্রার সুবিধা ও বিশেষ সেবা 

কক্সবাজার এক্সপ্রেস যাত্রীদের জন্য বেশ কিছু সুবিধা এবং বিশেষ সেবা প্রদান করে, যাতে দীর্ঘ ভ্রমণ আরামদায়ক হয়। ট্রেনটিতে আরামদায়ক সিট, পরিষ্কার কোচ, এসি সুবিধা, আলো ও চার্জিং পয়েন্টসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রয়েছে। যাত্রীরা ভ্রমণের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য গার্ড এবং রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহিনী সব সময় সচল থাকে।
পাশাপাশি ট্রেনে খাবার ও পানীয়ের ব্যবস্থা থাকে, যা অনেক যাত্রীর জন্য সুবিধাজনক। পরিবার, শিশু বা বয়স্ক যাত্রীর জন্যও এই ট্রেনে যাতায়াত আরামদায়ক, কারণ পর্যাপ্ত জায়গা এবং সেবা রয়েছে। ভ্রমণের সময় ট্রেনের মসৃণ চলাচল যাত্রীদের ক্লান্তি কমায় এবং যাত্রা উপভোগ্য করে। সব মিলিয়ে কক্সবাজার এক্সপ্রেস যাত্রীদের নিরাপত্তা, আরাম ও নির্ভরযোগ্যতার দিক থেকে একটি ভালো অভিজ্ঞতা দেয়।

কক্সবাজার ভ্রমনে পরামর্শ ও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

কক্সবাজার এক্সপ্রেসে ভ্রমণের আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ জানা থাকলে যাত্রা আরও সুবিধাজনক হয়। যাত্রীরা চেষ্টা করবেন নির্ধারিত সময়ের অন্তত ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছাতে, যাতে কোনো ঝামেলা না হয়। টিকিট সব সময় নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সংগ্রহ করা উচিত এবং অনলাইন বুকিংয়ের ক্ষেত্রে তথ্য ঠিকঠাক মিলিয়ে নিতে হবে। যাত্রার সময় মূল্যবান জিনিসপত্র সতর্কভাবে রাখবেন এবং ট্রেনের ভেতরে নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলবেন।

শিশু বা বয়স্ক যাত্রী থাকলে আগে থেকেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে নিন। স্টেশনে এবং ট্রেনে অপ্রয়োজনীয় ভিড় বা ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে বিরত থাকুন। আবহাওয়া, ছুটির ভিড় বা বিশেষ পরিস্থিতিতে সময়সূচী কিছুটা বদলে যেতে পারে, তাই আগেই সর্বশেষ আপডেট দেখে নিন। এসব ছোট প্রস্তুতি যাত্রাকে আরামদায়ক করে।

কক্সবাজার এক্সপ্রেস সম্পর্কে সাধারণ জিজ্ঞাসা FAQ 

অনেক যাত্রী কক্সবাজার এক্সপ্রেস সম্পর্কে কিছু সাধারণ প্রশ্ন করে থাকেন, যেমন ট্রেনের সময়সূচী, টিকিট মূল্য, স্টপেজ স্টেশন, সিটের ধরন এবং বুকিং পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন বেশি আসে। যাত্রীরা জানতে চান ট্রেনটি প্রতিদিন চলে কি না এবং কোন সময়ে ছাড়ে, এছাড়া অনলাইন টিকিট বুকিং কিভাবে করতে হয় সেটাও সাধারণ জিজ্ঞাসাগুলোর একটি।

কেউ কেউ সিট পরিবর্তন বা টিকিট বাতিলের নিয়ম সম্পর্কেও জানতে চান, যা রেলওয়ের নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত। ভ্রমণের সময় নিরাপত্তা, খাবার ব্যবস্থা এবং যাত্রার অভিজ্ঞতা সম্পর্কেও প্রশ্ন উঠে। বিশেষ কোনো কারণ ছাড়া কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেন  সবসময় নির্ধারিত সময়ে যাত্রা শুরু করে এবং বিমানবন্দর স্টেশনে একবার স্টপেজ চট্টগ্রামে যাত্রা বিরতি দেয়। 

শেষ কথাঃ কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী

কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী জানা যাত্রীদের পুরো ভ্রমণকে সহজ করে। নির্ভুল সময় জেনে টিকিট বুকিং, স্টেশনে পৌঁছানো এবং যাত্রা শুরু করা সবকিছুই পরিকল্পনামাফিক সম্পন্ন করা যায়। ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটটি পর্যটকদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এই ট্রেন সময়মতো চলার কারণে অনেক যাত্রী এটিকে প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নেন।

যদি যাত্রীরা আগেই ট্রেনের ভাড়া, স্টপেজ স্টেশন এবং সুবিধা সম্পর্কে ধারণা রাখেন, তাহলে যাত্রা আরও স্বস্তিদায়ক হয়। তাই নির্ভরযোগ্য তথ্য দেখে ভ্রমণের প্রস্তুতি নেওয়া সব সময়ই ভালো। সব মিলিয়ে কক্সবাজার এক্সপ্রেস একটি আরামদায়ক, নিরাপদ এবং সময়নিষ্ঠ ট্রেন, যা ভ্রমণকে আরও আনন্দদায়ক করে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

রাইয়ান আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md.Rasedul Islam
Md. Rasedul Islam
একজন ডিজিটাল মার্কেটার ও প্রযুক্তি অনুরাগী। আমার ওয়েবসাইট Raiyan It-এ আমি টেকনোলজি, ব্লগিং, ও ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কিত দরকারি টিপস ও গাইড শেয়ার করি।